https://www.facebook.com/profile.php?id=100081564356080&mibextid=ZbWKwL

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিস্তারিত কমেন্টে

 সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক।


বিস্তারিত কমেন্ট

#saraswatipuja #NewsUpdate #somoytv


সম্পূর্ণ নিউজ সময়
৭ টা ৩ মিনিট, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

সরস্বতী পূজা আজ

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি)। পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন অগণিত ভক্ত। পূজার দিন অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি জানাবেন তারা।

বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী। ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী। ছবি: সংগৃহীত

মহানগর ডেস্ক

২ মিনিটে পড়ুন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। ‘সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে/বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহ তুতে’ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য দেবী সরস্বতীর অর্চনা করবেন।

 
সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন। সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন,

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হাজার বছর ধরে এ দেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। এ দেশ আমাদের সকলের। ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়, বাংলাদেশ সকল মানুষের জন্য এক নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি।

 

 
সরস্বতী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বাণী অর্চনাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পূজা ছাড়াও অন্য অনুষ্ঠানমালায় আছে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতি, আলোকসজ্জা প্রভৃতি।
 
প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হলে মহাসাড়ম্বরে বিদ্যা ও আরাধনার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর জগন্নাথ হল প্রশাসনের কেন্দ্রীয় পূজাসহ মোট ৭৬টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন হচ্ছে। দুই দিনব্যাপী আয়োজনে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ পুণ্য আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন।
 
এ ছাড়াও ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শাঁখারী বাজার, তাঁতি বাজার, বনানী ও রমনা কালী মন্দিরসহ মণ্ডপে মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হবে।
 
পূজাতিথি
 
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে পঞ্চমী তিথি শুরু বৃহস্পতিবার ৮ মাঘ (২২ জানুয়ারি) রাত ২টা ৩০ মিনিটে। শেষ হবে শুক্রবার ৯ মাঘ (২৩ জানুয়ারি) রাত ১টা ৪৭ মিনিটে।
 
দেবীর আরাধনা ও পূজার শ্রেষ্ঠ সময়
 
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ১৫ মিনিট থেকে বেলা ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত।

সম্পূর্ণ নিউজ সময়
২ টা ৩৯ মিনিট, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

ফরিদপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, বাড়িঘরে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ

ফরিদপুরের সালথায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। ছবি: সময় সংবাদ
এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। ছবি: সময় সংবাদ

সিকদার সজল

১ মিনিটে পড়ুন

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নুরু মাতুব্বরের সঙ্গে জাহিদ মাতুব্বরের দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে পানি সেচ দেয়া নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক শহীদ শরীফের সঙ্গে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যায় বালিয়া বাজারে উভয়পক্ষের সমর্থকরা জড়ো হন। এক পর্যায়ে রাত ৮টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে ৫টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
 
 
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post